ঘূর্ণিঝড়"আম্পান"সম্পর্কে বিস্তারিত।
২০২০ সালের প্রথম উত্তর ভারত মহাসাগর ঘূর্ণিঝড় ঋতুর এ ঘূর্ণিঝড়ের উৎপত্তি ভারতীয় মহাসাগরে তৈরি গভীর নিম্নচাপ থেকে ঘটে। ঘূর্ণিঝড়টি ইতিমধ্যে সুপার সাইক্লোনে পরিণত হয়েছে, তবে স্থলভাগে শক্তি হারিয়ে তা অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে বলে মনে করা হচ্ছে। উপকূলীয় এলাকায় জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে।
এর আগে বঙ্গোপসাগরের দুইটি ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তীব্রতার কাছাকাছি যেতে পেরেছিল। তার মধ্যে একটি আঘাত হেনেছিল ওড়িশায়, অন্যটি বাংলাদেশের চট্টগ্রামে।
আম্পান’ অর্থ শক্তিমান বা শক্তিশালী। এটি একটি থাই শব্দ।আরব সাগর ও বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী রাষ্ট্রগুলো নিয়ে গঠিত ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল কাউন্সিল ফর এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক (এসক্যাপ) এর ৮ সদস্যের প্যানেল সকলের সম্মতির ভিত্তিতে নতুন ঘূর্ণিঝড়ের নাম নির্ধারণ করে থাকে। পুরাতন তালিকার সর্বশেষ নাম ছিল ‘আম্পান’।সে মতে ঘূর্ণিঝড় আম্পানের নামকরণ প্রস্তাব করে থাইল্যান্ড।
![]() |
১৮ মে, ভারতীয় প্রমাণ সময় রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত (১৫:০০ ইউটিসি), ঘূর্ণিঝড় আম্ফান ১৪.০° উঃ ৮৬.৩° পূঃ এর ২০ নটিক্যাল মাইলের মধ্যে অবস্থিত, ওড়িশার পারাদীপ থেকে প্রায় ৩৭৭ নটিক্যাল মাইল (৪৩৫ মাইল; ৭০০ কিমি) দক্ষিণে, পশ্চিমবঙ্গের দিঘার ৪৬৪ নটিক্যাল মাইল (৫৩৪ মাইল; ৮৬০ কিমি) দক্ষিণ-পশ্চিমে, এবং বাংলাদেশের খেপুপাড়ার, ৫২২ নটিক্যাল মাইল (৬০৯ মাইল; ৯৮০ কিমি) দক্ষিণ-পশ্চিমে, সর্বাধিক ৩ মিনিটের টেকসই বাতাস ১২৫ নট (১৪৫ মাইল বা ২৩০ কিমি / ঘণ্টা), এবং সর্বাধিক ১ মিনিটের টানা বাতাস ১৩০ নট (১৫০ মাইল বা ২৪০ কিমি / ঘন্টা), ১৪৫ নট অবধি (১৬৫ মাইল / ঘণ্টা); ২৭০ কিমি / ঘণ্টা)। সর্বনিম্ন বায়ুমন্ডলীয় চাপ ৯২৫ মিলিবার (২৭.৩২ ইন এইচজি), এবং সিস্টেমটি উত্তরে ৬ নট অর্থাৎ ৭ মাইল বা ১১ কিমি / ঘণ্টা) বেগে এগিয়ে চলেছে।
TheBlog360





Nice...
উত্তরমুছুন